দ্যা ওয়াল্ড ইজ নট এনাফ মুভি রিভিউ

দ্যা ওয়াল্ড ইজ নট এনাফ মুভি রিভিউ

হ্যালো বন্ধুরা, আশা করি আপনারা সকলে ভালো আছেন। আপনাদের আর আমার এই ভালো থাকার মধ্য দিয়ে আমি প্রতিদিন আমার কিছু প্রিয় মুভি নিয়ে হাজির হই। আজকেও তার বীপরিত হয়নি। তাহলে এখনি রিভিউটি পড়ে নিন।

The World Is Not Enough (1999)
Genre: Action & Adventure, Classics, Mystery
IMDb : 6.5/10

বন্ড ফ্রাঞ্চাইজের ২০তম ফিল্ম এটি। বন্ড চরিত্রে ব্রিটিশ অভিনেতা পিয়ার্স ব্রুসনান। অভিনয় নিয়ে বলার কিছুই নেই। ব্রুসনানের ৩য় মুভি এই বন্ড সিকুয়েলে। এবারের মূল প্লট তুর্কির শহর ইস্তানবুলে নিউক্লিয়ার মেল্টডাউন থ্রেট।

প্লটঃ ১৯৯৯ সালে এম আই সিক্স , এজেন্ট জেমস বন্ড কে স্পেনের বিলাবো শহরের সুইস ব্যাংক ব্রাঞ্চে আন্ডারকভার এজেন্ট হিসেবে পাঠানো হয়। তার মিশন ছিল ব্রিটিস ওয়েল কোম্পানী কিং এন্টারপ্রাইজের মাল্টি মিলিয়নিয়র মালিক স্যার রবার্ট কিং এর চুরি করা অর্থ ফিরিয়ে আনা। এই মিশনটির মাঝে সেই সুইস ব্যাংকারকে হত্যা করা হয় এজেন্ট বন্ড এর সামনেই।

বন্ড রবার্ট কিং এর অর্থ উদ্ধার করে মিশন কমপ্লিট করে । ইংল্যান্ডে যখন হেড কোয়ার্টারে রবার্ট কিং তার উদ্ধারকরা অর্থ ফেরত নিতে আসে। দুর্ভাগ্যবশত রবার্ট কিং কে ও সেই সুইস ব্যাংকারের হত্যাকারী অভিনব কায়দায় মেরে পালিয়ে যায়। বন্ড সেই হত্যাকারীকে ধরতে পারলেও তার আসল আইডেন্টটি এবং মোডাস অপারেন্ডি এবং তার এই হত্যার পিছনের সম্পর্কে কিছুই জানতে পারে না।

কাকতালীয়ভাবে রেনার্ডকে রবার্ট কিং এর মার্ডারের প্রাইম সাসপেক্ট ধরার পেছনে কারণ ছিল রবার্টের মেয়ে ইলেক্ট্রার অপহরণ । ইলেক্ট্রাকে রেনার্ড রবার্টের খুনের অনেক দিন আগেই অপহরণ করে প্রচুর মুক্তিপণের বিনিময়ে মুক্তি দিয়েছিল। তাই এম আই সিক্স এখন সন্দেহ করে , রবার্টকে হত্যার পরে রেনার্ড ইলেক্ট্রাকে খুন করতে পারে।

এম আই সিক্স ইলেক্ট্রাকে ব্রিটিশ ইন্টেলিজেন্স স্পেশাল প্রটেকশন দেয়ার জন্য জেমস বন্ডকে আজরাবাইজানে পাঠানো হয়। এজেন্ট বন্ড যঝন ইলেক্ট্রাকে সেফ রাখার স্পেশাল মিশন যান তখন তিনি আন্ডারকভার হয়ে কাজ করে জানতে পারে রেনার্ড একটি রাশিয়ান ভিক্টর ক্লাস ৩ নিউক্লিয়ার সাবমেরিন অপহরণ করে ইলেক্ট্রার নির্দেশে তা তুর্কিতে বিস্ফোরণের পায়চারী করছে।

শুরু হয় আসল খেলা, তাইলে কি রবার্টকে মারার পিছনে তার মেয়েই দায়ী। এতো কিছু রেনার্ড করতেছে ইলেক্ট্রার ইশারায়। তার পিছনের কারণ কি? বন্ড কি পারবে শেষ পর্যন্ত তুর্কিতে সেই মিসিং সাবমেরিন খুজে সেই নিউক্লিয়ার ওয়েপন সিকিউর করে ইলেক্ট্রার আসল রূপ উন্মোচন করতে। সো দেরি না করে অসাধারণ এই মুভিটি এখনি দেখে নিন।

আশা করি আপনাদের কাছে এই রিভিউটি ভালো লেগেছে। যদি সত্যিই ভালো লেগে থেকে তাহলে নিচে একটি কমেন্ট করে দিন। আপনাদের একটি মুল্যবাদ কমেন্ট আমাকে আপনাদের জন্য প্রতিদিন এরকম রিভিউ দিতে অনুপ্রেরনা যোগাবে।

About the Author: Amar Subtitle

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *